নির্বাচনী ইশতেহার
নোয়াখালী ৪ আসনে জামায়াতের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইসহাক খন্দকারের নির্বাচনী ইশতেহার।
১. নোয়াখালী পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হবে।
২. সদর ও সুবর্ণচরের সকল রাস্তাঘাট সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হবে।
৩. সদরে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর চালু করা হবে।
৪. সোনাপুর থেকে সুবর্ণচর পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণ করে প্রস্তাবিত আন্তনগর ট্রেন “সুবর্ণচর এক্সপ্রেস” চালু করা হবে।
৫. সুবর্ণচরে ইপিজেড প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৬. গ্রাম পর্যায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো এবং শিক্ষার মান উন্নয়ণ করা হবে।
৭. মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা হবে।
৮. সদরে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ব্যবস্থা করা হবে
৯. সুবর্ণচরে একটি আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল স্টেডিয়ামের ব্যবস্থা করা হবে।
১০. বছরে একটি জুলাই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে।
১১. ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।
১২. সুবর্ণচরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যা পর্যন্ত উন্নীত করা হবে।
১৩. গ্রাম পর্যায়ে মাতৃত্বকালীন সেবা, নারী ও শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিতে পারিবারিক স্বাস্থ্য কর্মসূচি চালু করা হবে।
১৪. ইউনিয়নভিত্তিক ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের জন্য ‘ডিজিটাল ল্যাব’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
১৫. পাড়া মহল্লা ও ইউনিয়নভিত্তিক ইউথ ক্লাব, কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা।
১৬. স্থানীয় কৃষি ও হস্তশিল্পকে কেন্দ্র করে যুব উদ্যোক্তা গড়ে তোলা হবে।
১৭. একটি পরিবার, একটি খামার’ প্রকল্প সম্প্রসারিত করা হবে এবং এর জন্য বিনাসুদে ঋণ প্রদান করা হবে।
১৮. নোয়াখালী শহর ও সদরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন ও খাল উদ্ধার করা হবে।
১৯. মাইজদী শহরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকিকরণ করা হবে।
২০. সুবর্ণচরে ডিপ টিউবওয়েলের মাধ্যমে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হবে।
২১. কৃষিপ্রধান এলাকা হিসেবে নোয়াখালীতে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
২২. কৃষকদের জন্য আধুনিক সকল সুবিধাসহ কয়েকটি কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থা করা হবে।
২৩. অমুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য সমান নাগরিক সুবিধা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
২৪. গৃহহায়ন প্রকল্পের আওতায় সদর-সুবর্নচরে গৃহহীনদের জন্য গৃহের ব্যবস্থা করা হবে।
২৫. সড়কপথে দ্রুত চলাচলের জন্য ঢাকা-নোয়াখালী এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে।
২৬.চর ক্লার্ক ও মোহাম্মদপুরে মেঘনা নদীর ভাঙনরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নদী শাসন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
২৭. বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা শতভাগ উন্নীত করা হবে।
২৮. সদর পশ্চিমাঞ্চলে পুলিশ ফাঁড়ির ব্যবস্থা করা হবে।
২৯. মাইজদীতে আধুনিক সুবিধাযুক্ত শিশুপার্ক ও বয়স্কদের জন্য ওয়াকওয়ে তৈরী করা হবে।
৩০. সুবর্ণচরে একটি বোটানিক্যাল গার্ডেন তৈরি করা হবে।
৩১. নোয়াখালীতে আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
৩২. চেয়ারম্যান ঘাট থেকে নিঝুমদ্বীপ পর্যন্ত পর্যটন জাহাজ চালু করা হবে।